নোটিশ

সকল বিজ্ঞপ্তি

22 Jul, 2026

মহান শিক্ষা প্রচারক, মনীষী,প্রাতঃস্মরণীয় কানুনগোপাড়া ড.বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, পূন্য শ্লোক কর্মবীর স্বর্গতঃ"রেবতী রমণ দত্ত" এর ১৪২তম জন্মজয়ন্তী যথাযথ মর্যাদায় অত্র বিদ্যালয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। বুধবার (২২ জুলাই) বিদ্যালয়ের হলরুমে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রয়াত রেবতী রমণ দত্তের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কেক কেটে তাঁর ১৪২তম জন্মবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাপন কুমার ভঞ্জ-এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক প্রভাকর বড়ুয়া-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ নুরুন্নবী চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় পাল, সিনিয়র শিক্ষিকা পারভীন আক্তার, অতসী চন্দ ও চিত্রা বড়ুয়া, সহকারী শিক্ষক স্বরূপ দাশ, চিন্ময় চৌধুরী, মোহাম্মদ পারভেজ, রূপা চৌধুরী, জিকু চৌধুরী, তন্বী শীল, নয়ন সরকার, সহকারী শিক্ষিকা স্নিগ্ধা নন্দী, জোনাকী চৌধুরী, শাহিদা আকতার সাঞ্জু এবং অফিস সহকারী কাম শিক্ষক গৌতম চৌধুরী। আলোচনা সভায় বক্তারা রেবতী রমণ দত্তের শিক্ষা, প্রশাসন ও সমাজসেবায় অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, একজন দূরদর্শী শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠা ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, সেগুলো আজও সমাজে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাঁর আদর্শ ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশ ও সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দেশ যখন পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ,এই জনপদের মানব জাতি যখন তিমির অন্ধকারাছন্ন মানুষ অক্ষরজ্ঞানশূন্য, তখনি অর্থাৎ ২২জুলাই ১৮৮৪ সালে এই উপমহাদেশের "রত্নগর্ভা" খ্যাত কানুনগোপাড়া গ্রামের দত্ত পরিবারে, পিতা রসিকচন্দ্র দত্ত ও মাতা মুক্তকেশী দত্ত এর কোল আলোকিত করে এই অমূল্য প্রতিভাধর কৃতিপুরুষ,শিক্ষা দরদী, সমাজসেবী, বিদ্যেৎসাহী 'রেরতী রমণ দত্ত ' জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রসিক চন্দ্র দত্ত ছিলেন সাব জজের সেরেস্তাদার। তিনি ছিলেন সত্যনিষ্ঠা,সততা ও বিদ্যানুরাগ এর মূর্তপ্রতীক। মা মুক্তকেশী দেবী ও ছিলেন একজন আর্দশ, দয়ালু ও মহীয়সী নারী। তিনি একাদশ রত্নসম প্রতিভাবান পুত্রের জননী হিসেবে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক "রত্নগর্ভা" উপাধি অর্জন করেন। তখন বৃটিশ শাসিত উপমহাদেশ বণিকের মানদন্ড রাজদন্ডে পরিণত। শস্য শ্যামলা বাংলা,বিদেশী বিভাষী অত্যাচারী ইংরেজ বণিকের অত্যাচারে জর্জরিত, শোষিত মানব সভ্যতা লাঞ্ছিতএই উপমহাদেশ, এমনি এক মহা দুর্দিনে বীর প্রসবিনী স্বাধীনতা ও স্বাধীকাগার বহু ঋষি পুরুষের পদভারে উদ্বেলিত এক অখ্যাত গ্রামীণ জনপদে, লোক চক্ষুর অন্তরালে এক মানব সন্তানের আগমন ঘটেছিল।শ্রাবনধারা সিক্ত ধরনীতে ধরার ধুলায় আগমনের সাথে সাথে তিনি নিয়ে এলেন শিক্ষার নবজাগরণের উন্মাদনা। জন্মের পর থেকে রেবতী রমণ দত্ত পরিবারে নিয়ে এল চাঁদের সুষমা আর রবির অম্লান আলোক বর্তিকা, যেন নভোচারী আলোর দিশারী নক্ষত্র।মেধাবী রেবতী রমণ দত্ত চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল স্কুল হতে ১৯০২ সালে অবিভক্ত বাংলার চট্টগ্রাম বিভাগে ২য় হয়ে বৃত্তি পেয়ে এন্ট্রাস পরীক্ষায় পাস করেন। ১৯০৪ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগে ১ম স্থান পেয়ে আই.এ পাশ করেন এবং বৃত্তি লাভ করেন। এরপর ১৯০৬ সালে কলিকাতা প্রেসিডিন্সি কলেজ হতে গণিত,বিজ্ঞান এবং ইংরেজিতে অনার্স এবং সেরা ছাত্রের বৃত্তি পান।তিনি তিন বিষয়ে অনার্স পেয়ে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেন।১৯০৮ সালে স্বর্ণপদক পেয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে এম.এস সি ডিগ্রি লাভ করেন। এই তুখোর প্রতিভাধর মেধাবী বিলেতে আই.সি.এস পড়ার সুযোগ পেয়ে ও তাঁর পিতা-মাতার আর্থিক কষ্ট ও ছোট ভাইদের লেখা পড়ার ক্ষতি হবে ভেবে আই.সি.এস পড়তে না গিয়ে BCS করে ১৯০৮ সনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে কুমিল্লায় যোগদান করেন। তিনি একজন সাহসী,তেজস্বী দক্ষ বিচারক ও প্রশাসক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সে সময়ে সরকারি চাকুরীজীবী হয়েও তিনি খদ্দরের বুক বাঁধা কোট- পেন্টালুন পরিধান করতেন এবং একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবে গর্ববোধ করতেন।তিনি সরকারি কাজে যেখানে গেছেন সেখানেই তিনি শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসংস্কার এর দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন। অবিভক্ত বাংলায় তাঁর বিভিন্ন কর্মস্থলে তিনি বিদ্যালয় স্থাপন করেছেন ও হত দরিদ্র ছাত্রের শিক্ষালাভের সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি স্বনামধন্য শিক্ষক কমলপন্ডিত,দূর্গাকৃপা চক্রবর্তী ও অঘোর দে মশায়ের পাঠশালাটিকে ১৯১১ সনে উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরে ১৯১৭ সনে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়কে যাত্রামোহন মধ্যম ইংরেজি বিদ্যালয়ে উন্নীত করেন এবং পরবর্তীকালে স্কুলটি কে নিজের অনুজ ভাই কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ে বিভাগীয় প্রধান অকৃতদার "ড.বিভূতি ভূষণ দত্ত"অর্থাৎ স্বামী বিদ্যারণ্য-এর নামে " কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয় "নামকরণ করেন।তিনি মুক্তকেশী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও উচ্চ শিক্ষা জন্য ১৯৩৯ সনে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এর নামে " স্যার আশুতোষ কলেজ" প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি ভারতের মেদিনীপুরের ঘাটালে বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মায়ের নামে ভগবতী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জলপাইগুড়িতে মধ্যম ইংরেজি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাঁকুড়ায় "বাঁকুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রামগড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,রামগড় উচ্চ বিদ্যালয় এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজ্ঞান গবেষণার জন্য বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এখন ও এই বিদ্যাপিঠগুলো তাঁর অবিনশ্বর কীর্তি বহন করছে। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া ও কানুনগোপাড়া বান্ধবপাঠাগার, ডাকঘর, ধোরলা-কানুনগোপাড়া আর্বান ব্যাংক,রসিকচন্দ্র দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের মৃতবৎসার দেশে যেখানে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থেকে অস্তিত্ব বজায় রাখাটা একটা দর্শনীয় ব্যাপার বলে পরিগনিত হয়,যেখানে কানুনগোপাড়া ড.বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়টি সৃষ্টিলগ্ন থেকে বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে রত থেকে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য সমৃদ্ধ ও 'রেবতী রমণ দত্ত ' এর আর্দশকে লালন করে সুমহান কীর্তি স্হাপনে সমর্থ হয়েছে।, তা সত্যিই অনন্য।অতি সাম্প্রতিক সময়ে যখন জীবন যন্ত্রণা দূর্বহ,নীতিবোধ পদদলিত,শ্রদ্ধাভক্তি প্রভূতি ভাবার্দশ বিকৃত, যুবজনের চিত্ত অন্ধ তমসাচ্ছন্ন ঘূর্নাবর্তে বিক্ষিপ্ত, তখন তাঁর সৃষ্টি এই বিদ্যায়তনটি সকল শিক্ষক, শুভানুধ্যায়ী, সুহৃদ,প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব বোধ আরো গুরুভার হয়ে উঠে। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর তিনি কলিকাতায় চলে যান।তিনি যাদবপুরে চট্টগ্রাম পরিষদ ও চট্টগ্রাম সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চট্টগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন। ঋষিতুল্য বরনীয় কৃতিপুরুষ"রেবতী রমণ দত্ত" ১৯৬৪ সালে ১২ জুলাই, রবিবার দুপুরে মানবলীলা সাঙ্গঁ করেন।আমরা তাঁর চরণে শত শত কোটি প্রনাম,শ্রদ্ধা ও অনিঃশেষ সম্মান জানাই। সু শিক্ষার বীজ তুমি ছড়িয়েছো কত, তোমারই কীর্তি গাঁথা ঘোষে অবিরত। ড.বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়টি তোমার স্বাক্ষর, তোমাকেই খুঁজি তাই-আকাশ প্রান্তর। হে পূণ্যচরিত ঋষি রেবতী রমণ, আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি করহ গ্রহণ। পরিশেষে বলি- "সোনার মানুষটি নেই তাঁর স্মৃতিটুকু আছে, সেবা দিয়ে ভালবেসে এসেছিল কাছে "। হে মহান রেবতী রমণ দত্ত রেখে গেছ তুমি, আমদের সকলের শিক্ষার তরে। স্মৃতি স্মরি পুজি তোমায় আজি, শতকোটি অনিঃশেষ শ্রদ্ধায় শত নমস্কারে।

05 Jul, 2026

কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা রবিবার (৫ই জুলাই ২০২৬ইং) বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মনোনীত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বুড়া মসজিদের মোতোয়াল্লী, বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিআরডিবির সভাপতি জনাব মুহাম্মদ নুরুন্নবী চৌধুরী। বিদ্যালয়ের সু্যোগ্য প্রধান শিক্ষক বাবু বাপন কুমার ভঞ্জ মহোদয় বিদ্যালয়ের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন । সভায় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় পরিচালনা কমিটির সদস্য অতসী চন্দ ও অঞ্জন দাশ বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় পাল, সিনিয়র শিক্ষিকা পারভিন আক্তার, চিত্রা বড়ুয়া, স্বরূপ দাশ, চিন্ময় চৌধুরী, স্নিগ্ধা নন্দী, জোনাকি চৌধুরী, মুহাম্মদ পারভেজ, শাহিদা আক্তার সাঞ্জু, রূপা চৌধুরী, জিকু চৌধুরী, নয়ন সরকার, তন্বী শীল, প্রভাকর বড়ুয়া, অফিস সহকারী গৌতম চৌধুরী এবং বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে সম্মানিত সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

16 Jan, 2026

কানুনগোপাড়া ড.বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয় এর" ৯৬ তম" মহান প্রতিষ্ঠা দিবস ৮ই জানুয়ারি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়। এই দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কর্মবীর রেবতী রমন দত্ত মহোদয় এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু অজয় পাল,মিসেস পারভীন আক্তার, মিসেস অতসী চন্দ,মিসেস চিত্রা বড়ূয়া,বাবু স্বরুপ দাশ,বাবু চিন্ময় চৌধুরী,মিসেস স্নিগ্ধা নন্দী, মিসেস জোনাকি চৌধুরী জনাব মো পারভেজ, , বাবু গৌতম চৌধুরীএবং বাবু তুহিন বড়ুয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয় এর শিক্ষক বাবু প্রভাকর বডূয়া। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন আদিত্য চৌধুরী ৯ম শ্রেণি,অর্নব শীল ৮ম শ্রেণি, মো:সালেকিন চৌধুরী ১০ম শ্রেণি,নীরব দে১০ শ্রেণী।গান পরিবেশন করেন বিদ্যালয় এর ১০ম শ্রেণি শিক্ষার্থী অর্নব দেবনাথ।

25 Nov, 2025

অত্যন্ত আনন্দের সহিত ঘোষণা করছি যে, জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ-২০২৫ খ্রিঃ উপলক্ষে গতকাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চিত্রাংকন এ কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কুইজ প্রতিযোগিতায় অত্র বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ২. মোহাম্মদ সাব্বির, বিজ্ঞান বিভাগ, রোল-৪, প্রথম স্থান. ২. তাসিবুল আলম ইমন, বিজ্ঞান বিভাগ, রোল- ২. ২য় স্থান। ৩. অর্ণব দেবনাথ, বিজ্ঞান বিভাগ, রোল-৩, ৩য় স্থান অর্জন করেছে। এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অরণ্য দাশ, ৮ ম শ্রেণি, রোল নং ১, ২য় স্থান অর্জন করেছে। আমরা সকলে তাদের এই অর্জনে গৌরবান্বিত ও আনন্দিত। আমরা তাদের উত্তোর - উত্তোর সাফল্য ও শ্রীবৃদ্ধি কামনা করছি।

18 Jul, 2024

কানুনগোপাড়া ড.বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মহান শিক্ষা প্রচারক,বিদ্যানুরাগী এই উপমহাদেশের "রত্নগর্ভা" খ্যাত দত্ত পরিবারের কৃতি একাদশ রত্ন প্রধান, কর্মবীর 'রেবতী রমণ দত্ত' মহোদয়ের ৬০ তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় অত্র বিদ্যালয়ে পালন করা হয়। ১৮৮৪ খৃষ্টাব্দে ২২ জুলাই এই বসুন্ধরা আলো করে এই অমূল্য প্রতিভাধর কৃতিপুরুষ জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি এই উপমহাদেশে শিক্ষার জন্য অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। এই বরনীয় কৃতিপুরুষ ১৯৬৪ খিষ্টাব্দে ১২ জুলাই রবিবার দুপুরে মানবলীলা সংবরণ করেন।আমরা তাঁর চরনে শতকোটি প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানাই। "সোনার মানুষটি নেই তাঁর স্মৃতিটুকু আছে, সেবা দিয়ে ভালোবেসে এসেছিল কাছে "।

shapes
shapes